Thursday, 9 September 2021

মন্দ মৃত্যুর কারণ।

 মন্দ মৃত্যুর চারটি কারণ:

মন্দ মৃত্যুর চারটি কারণ শরহুস সুদূর কিতাবে বর্ণিত রয়েছে: কতিপয় ওলামায়ে কিরাম ﺭﺣﻤﺔ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪﺭﺣﻤﺔ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ বলেন: মন্দ মৃত্যুর কারণ হলো চারটি: (১) নামাযে অলসতা, (২) মদ্যপান, (৩) মাতা-পিতার অবাধ্যতা, (৪) মুসলমানদেরকে কষ্ট দেয়া। (শরহুস সুদূর, ২৭ পৃষ্ঠা, দারুল কুতুবিল ইলমিয়া, বৈরুত) যে সব ইসলামী ভাই ﻣﻌﺎﺫﺍﻟﻠﻪ ﻋﺰﻭﺟﻞ (আল্লাহর পানাহ!) নামায আদায় করে না কিংবা কাযা করে আদায় করে, ফজরের (নামাযের) জন্য উঠে না অথবা শরীয়াত সম্মত অপারগতা ছাড়া মসজিদে জামাআ’ত সহকারে (নামায) আদায় করার পরিবর্তে ঘরেই নামায আদায় করে নেন, তাদের জন্য (এতে) চিন্তার বিষয় রয়েছে। নামাযে অলসতা যেন মন্দ মৃত্যুর কারণ না হয়। অনুরূপভাবে মদ্যপানকারী, মাতা-পিতার অবাধ্য ও মুসলমানদেরকে নিজের মুখ অথবা হাত ইত্যাদি দ্বারা কষ্ট প্রদানকারীরা সত্যিকারের তাওবা করে নিন।সদরুল আফাযিল আল্লামা মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মদ নঈমুদ্দীন মুরাদাবাদী ﺭﺣﻤﺔ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪﺭﺣﻤﺔ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ বলেন: তাওবার মূল বিষয় হচ্ছে; আল্লাহর দিকে প্রত্যাবর্তন করা। এটার তিনটি ভিত্তি রয়েছে। এক, অপরাধ স্বীকার করা। দুই, অনুতপ্ত হওয়া। তিন, পরিত্যাগের ইচ্ছা (অথার্ৎ- এ গুনাহ্ ত্যাগ করার পাকাপোক্ত ইচ্ছা)। যদি গুনাহ্ ক্ষতিপূরণ উপযুক্ত হয় তবে সেটার ক্ষতিপূরণ দেয়াও আবশ্যক। যেমন- বেনামাযীর তাওবার জন্য পূর্ববর্তী নামায সমূহের কাযা আদায় করাও জরুরী। (খাযাইনুল ইরফান, ১২ পৃষ্ঠা, বোম্বাই) যদি বান্দার হক নষ্ট করে থাকে, তাহলে তাওবা করার সাথে সাথে সেগুলোর ক্ষতিপূরণ আবশ্যক। যেমন- মাতা-পিতা, ভাই-বোন, স্ত্রী অথবা বন্ধু কিংবা অন্যান্যদের মনে কষ্ট দিয়ে থাকলে, তাহলে তার কাছ থেকে এভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করবে, যেন সে ক্ষমা করে দেয়। শুধুমাত্র মুচকি হেসে sorry বলে দেয়া প্রত্যেক বিষয়ে যথেষ্ট নয়!

 নফস ইয়ে কিয়া জুলুম হে হার ওয়াক্ত তাজা জুরম হে, নাতুয়া কে সর পে ইতনা বুঝ ভারী ওয়াহ ওয়াহ।

No comments:

Post a Comment

রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর মোহরে নবুওয়াত।।

 পরিচ্ছেদঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর দু’কাঁধের মধ্যভাগে মোহরে নবুওয়াত ছিল خاتم অর্থ- আংটি, মোহর, সীল। মোহরে নবুওয়াত হলো রা...